প্রতিদিনই বিশ্বজুড়ে বড় বড় ওয়েবসাইট ও অ্যাপের সার্ভার হ্যাক হওয়ার খবর সামনে আসছে। এসব সাইবার আক্রমণের ফলে কোটি কোটি ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য ও লগইন ক্রেডেনশিয়াল ডার্ক ওয়েবে ছড়িয়ে পড়ে। আপনি হয়তো দৈনন্দিন ব্যবহারের সুবিধার্থে ব্রাউজার বা ফোনে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের তথ্য সংরক্ষণ করে রাখেন, কিন্তু সেগুলোর কোনোটি ইতোমধ্যে ফাঁস হয়ে যায়নি তো? ডিজিটাল নিরাপত্তা বজায় রাখতে আপনার সেভ করা পাসওয়ার্ড লিক হয়েছে কিনা জানার উপায় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি। সঠিক সময়ে এই ঝুঁকি শনাক্ত করতে পারলে বড় ধরনের সাইবার জালিয়াতি থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।
অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেদ করে হ্যাকাররা যখন ইউজারনেম, ইমেইল এবং পিন তথ্য চুরি করে, তখনই ডেটা ব্রিচ বা তথ্য ফাঁস ঘটে। এই চুরি হওয়া ডেটাবেস পরবর্তীতে সাইবার অপরাধীরা বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে অবৈধ প্রবেশের জন্য ব্যবহার করে। একে 'ক্রেডেনশিয়াল স্টাফিং' বলা হয়, যেখানে একটি ফাঁস হওয়া পাসওয়ার্ড দিয়ে অন্যান্য সার্ভিসে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়।
আপনার কোনো একটি ডিজিটাল পাসওয়ার্ড ফাঁস হওয়ার অর্থ হলো সেই সম্পর্কিত সকল অনলাইনের তথ্য ঝুঁকির মুখে পড়া।
আপনি যদি কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে গুগল ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার করেন, তবে খুব সহজেই বিল্ট-ইন 'পাসওয়ার্ড ম্যানেজার' দিয়ে নিরাপত্তা যাচাই করে নিতে পারেন।
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে গুগলের সিকিউরিটি ফিচার সরাসরি অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যুক্ত থাকে। ফলে থার্ড-পার্টি কোনো অ্যাপ ছাড়াই নিরাপদ থাকা সম্ভব।
অ্যাপল তাদের আইফোন ও আইপ্যাড ব্যবহারকারীদের জন্য শক্তিশালী নিরাপত্তা ফিচার প্রদান করে। 'আইক্লাউড কিচেন' (iCloud Keychain) এই ডেটা স্ক্যানিংয়ের কাজ নিখুঁতভাবে করে থাকে।
যদি স্ক্যানের পর দেখেন আপনার সেভ করা পাসওয়ার্ড লিক হয়েছে, তবে বিলম্ব না করে এখনই কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুন:
অনলাইন দুনিয়ায় নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে নিয়মিত ব্যবধানে আপনার সেভ করা পাসওয়ার্ড লিক হয়েছে কিনা পরীক্ষা করা একটি ভালো অভ্যাস। সচেতনতা এবং সঠিক টুল ব্যবহারের মাধ্যমে সাইবার আক্রমণ থেকে নিজের ডিজিটাল জীবন নিরাপদ রাখুন।
আপনি কি সম্প্রতি আপনার সেভ করা অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা পরীক্ষা করেছেন? কোনো অ্যাকাউন্টের তথ্য লিক হওয়ার অভিজ্ঞতা থাকলে কমেন্টে আমাদের জানান!









